#Post ADS3

advertisement

প্রচণ্ড গরমে যেসব রোগ-ব্যাধির আশঙ্কা, এই গরমে যে সকল রোগ হতে পারে।

প্রতিটি ঋতু তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। প্রতিটির একটি কমনীয় এবং উপভোগ্য দিক রয়েছে। পাশাপাশি একটি অস্বস্তিকর এবং ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে। গ্রীষ্মকাল সবে শেষ হয়েছে। কিন্তু এর রেশ এখনও রয়ে গেছে। এ সময় আবহাওয়া গরম এবং আর্দ্র যা অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিলে এগুলো এড়ানো সম্ভব। এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ডা. এম এন সরকার

* পানিশূন্যতা

গরমে শরীর অতিরিক্ত ঘামের মাধ্যমে তাপ নির্গত করে মূল তাপমাত্রাকে স্বাভাবিক সীমার মধ্যে রাখার চেষ্টা করে। যার ফলে শরীরে তরলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। যাকে আমরা পানিস্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশন বলি। পানিস্বল্পতার লক্ষণগুলো হলো-

▶ সব সময় তৃষ্ণার্ত অনুভব করা।

▶ অল্প এবং গাঢ় আভাযুক্ত প্রস্রাব।

▶ মাথাব্যথা।

▶ দিশেহারা ভাব।

নিয়মিত বিরতিতে প্রচুর পানি পান করে আমরা এ লক্ষণগুলো প্রতিরোধ করতে পারি। আমরা কচি ডাবের পানি বা ‘লস্যি’ও পান করতে পারি। তরমুজ, আঙুর, পেঁপে বা আমের মতো অনেক পানিযুক্ত ফল খেতে পারি, যা আমাদের শরীরের পানিকে পুনরায় পূরণ করতে পারে।

* মাথাব্যথা

ডিহাইড্রেশনের ফলে গরমের সময় মাথাব্যথা একটি সাধারণ ব্যাপার, যা গ্রীষ্মকালীন মাথাব্যথা নামে পরিচিত। পানিস্বল্পতা পূরণ করে মাথাব্যথা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

* তাপজনিত রোগ

গরমে মৃদু থেকে তীব্র তাপজনিত রোগসৃষ্টি হতে পারে। এটি সূর্যালোক-সম্পাতের কাল এবং পরিশ্রমের মাত্রার ওপর নির্ভর করে। এগুলো হলো-

* তাপ ক্র্যাম্প

গরম তাপমাত্রায় অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে প্রচুর ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে লবণ (সোডিয়াম) বেরিয়ে যাওয়ার ফলে বেদনাদায়ক পেশি সংকোচন ঘটে। লবণবিহীন শুধু পানি পান করলে এটি আরও বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে শরীরের মূল তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় না। লক্ষণগুলো দেখা দিলে খাবার স্যালাইন খেলে দ্রুত উপশম হয়।

* তাপ সিনকোপ

গরম আবহাওয়ায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে শরীরের বাইরের দিকের রক্তনালি প্রসারণের ফলে রক্তচাপ কমে যায়। ফলে মস্তিষ্কে কম রক্ত প্রবাহিত হয়ে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। তখন ওই ব্যক্তিকে ছায়ার নিচে সরিয়ে নিতে হবে এবং ফ্যান চালিয়ে দিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।

* তাপ নিঃশেষণ

গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ পরিশ্রম করলে তাপ নিঃসরণ ঘটে। প্রচুর ঘাম এবং অপর্যাপ্ত লবণ ও পানি প্রতিস্থাপনের ফলে কোর (মলদ্বার) তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে বৃদ্ধি পায়, যার ফলে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা দেয়-

▶ চামড়া গরম এবং ঘাম।

▶ মাথাব্যথা, দুর্বলতা, ক্লান্তি, বিরক্তিভাব।

▶ ডিহাইড্রেশন, দ্রুত নাড়ির গতি।

এ রকম পরিস্থিতিতে রোগীকে তাপ থেকে ছায়ায় নিয়ে যেতে হবে। কাপড়-চোপড় খুলে ঠান্ডা পানি স্প্রে করে ফ্যান ছেড়ে শীতল করতে হবে। পানিস্বল্পতা পূরণের জন্য খাবার স্যালাইন খেতে দিতে হবে বা শিরায় স্যালাইন দিতে হবে। চিকিৎসা না করা হলে, তাপ নিঃসরণ হিটস্ট্রোকে পরিণত হতে পারে।

* হিটস্ট্রোক

যখন শরীরের মূল তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে বেড়ে যায়, তখন হিটস্ট্রোক ঘটে। হিটস্ট্রোক এর লক্ষণগুলো হলো-

▶ রোগীর ত্বক খুব গরম অনুভূত হয় এবং ঘাম থাকে না।

▶ মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব এবং বমি।

▶ মাংসপেশি কাঁপুনি এবং বিভ্রান্তি।

▶ উত্তেজিত বা জ্ঞান হারানো।

হিটস্ট্রোক একটি জরুরি অবস্থা এবং এর মৃত্যুর হার বেশি। তাই অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

প্রতিরোধ : যতটা সম্ভব, দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ গরমের সময় বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন। যদি বাইরে যেতে হয়, তবে হলকা কাপড় দিয়ে শরীর ঢেকে বের হবেন। প্রখর রোদে ঘোরাঘুরির পরিবর্তে ঠাণ্ডা জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন।

* হে ফিভার

হে ফিভার এক ধরনের অ্যালার্জি। এটি বিশেষত গ্রীষ্মের শুরুতে দেখা যায়। শেষব্দিও এর রেশ থাকে। যখন ফুল ফোটে এবং পরাগ শরীরের সংস্পর্শে আসে তখন এ সমস্যা দেখা যায়। হে ফিভারের লক্ষণগুলো হলো-

▶ নাক আটকে যাওয়া এবং চোখ দিয়ে পানি পড়া।

▶ কাশি এবং হাঁচি।

▶ নাক দিয়ে পাতলা পানি পড়া।

▶ ক্লান্তি এবং জ্বর।

প্রতিরোধ : বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করে পরাগের সংস্পর্শ এড়িয়ে এটি প্রতিরোধ করা যায়। যদি এটি ঘটে, তবে ফেক্সোফেনাডিনের মতো অ্যান্টিহিস্টামিন দ্বারা উপসর্গগুলো হ্রাস করা যেতে পারে। রোগী যদি অ্যালার্জিপ্রবণ হয়, তবে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। কিছু ওষুধ হে ফিভার প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

* হাঁপানির আক্রমণ

গরমের মধ্যে হাঁপানির আক্রমণ বেশি দেখা দেয়, যখন ফুল ফোটে এবং ফুলের রেণু বাতাসে উড়ে বেড়ায়, বিশেষ করে অ্যালার্জিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে। কারও যদি হাঁপানি থাকে তাহলে বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করে পরাগের সংস্পর্শ এড়ানোর মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

* ফ্লু

ফ্লু মূলত গ্রীষ্মে রোগ। বর্ষায়ও এটি হয়। যে কোনো বয়সের ব্যক্তি ফ্লুতে আক্রান্ত হতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও প্রচুর তরল পানের মাধ্যমে ফ্লু থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব।

* খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ

খাদ্যে বিষক্রিয়া : গরমের মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়া বেশি হয়, যখন সালমোনেলা এবং ক্লোস্ট্রিডিয়ামের মতো কিছু বিপজ্জনক অণুজীব খাদ্যে বৃদ্ধি পায়।

খাদ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ হলো-

▶ পেটব্যথা।

▶ বমি বমি ভাব এবং বমি।

▶ ডায়রিয়া।

▶ জ্বর।

প্রতিরোধ : কম রান্না করা মাংস, কাঁচা শাকসবজি, মাছ এবং ফাস্টফুড এড়িয়ে এটি প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যদি এটি ঘটে, তবে খাবার স্যালাইন খাবেন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

* জণ্ডিস

এটি আরেকটি মারাত্মক রোগ যা গরমকালে বেশি দেখা যায়। এ অবস্থা দূষিত খাবার বা পানি পান করলে যে কারও হতে পারে। হেপাটাইটিস-এ ভাইরাসদূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং সংক্রমিত ব্যক্তির মল দ্বারা পানি বা খাবার দূষিত হয়। জণ্ডিস গুরুতর হয়ে উঠতে পারে এবং জীবনকে বিপন্ন করতে পারে। জণ্ডিসের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে-

▶ ত্বক এবং চোখের হলদে ভাব।

▶ হলুদ রঙের প্রস্রাব।

▶ চুলকানি ইত্যাদি।

প্রতিরোধ : এ সংক্রমণ এড়াতে সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো এ ধরনের সংক্রমণের সংস্পর্শ এড়ানো অর্থাৎ দূষিত খাবার বা পানি এড়ানো ও হেপাটাইটিস-এ ভাইরাসের টিকা গ্রহণ।

* ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ও টাইফয়েড

ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ও টাইফয়েড হলো পানিবাহিত রোগ, যা গ্রীষ্ম ও বর্ষার মাসগুলোতে বেশি দেখা যায় এবং দূষিত খাবার বা পানি এড়িয়ে চলার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।

ত্বকের রোগ ও বিষণ্নতা

* ঘামাচি : গরমে সাধারণ চর্মরোগগুলোর মধ্যে একটি হলো ঘামাচি। এটি বাচ্চাদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদেরও হয়। এর আক্রমনে ত্বকে লাল ফুসকুড়ি হয়। এটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর এবং অতিরিক্ত চুলকানির কারণ হতে পারে। এ অবস্থার সৃষ্টি হয় যখন একজন ব্যক্তি প্রচুর পরিমাণে ঘামে এবং ঘামে ভেজা কাপড় ত্বকে ঘষতে থাকে, যার ফলে ফুসকুড়ি এবং চুলকানি হয়। ঘামাচি থেকে নিষ্কৃতি পেতে হলে আপনার ত্বক শুষ্ক রাখতে হবে। ঘর্মাক্ত জামা-কাপড় সময়মতো পরিবর্তন করতে হবে। ত্বককে শুষ্ক রাখতে ভালো ঘামাচি পাউডার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

* রোদে পোড়া : কেউ দীর্ঘ সময়ের জন্য সূর্যালোতে থাকেন, তখন ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি তার সূক্ষ্ম ত্বকে প্রবেশ করে সানবার্ন নামক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। এ অবস্থায় ত্বক শুষ্ক ও লাল হয়ে যায় এবং চুলকায়, সঙ্গে বমি বমি ভাব, জ্বর বা ঠান্ডা থাকতে পারে। যেসব ক্ষেত্রে পোড়া গুরুতর, সেখানে ফোস্কা পড়তে পারে এবং অবস্থার উন্নতি হলে ত্বক খোসা উঠতে পারে। তাই রোদে বেরোনোর প্রায় ২০ মিনিট আগে একটি শক্তিশালী (এসপিএফসহ) ভালো সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করলে ভালো। এছাড়াও, ত্বকের আর্দ্রতা সঠিকভাবে বজায় রাখতে হবে।

* ব্রণ : গরমে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কারণ, শরীর ঠান্ডা রাখতে শরীর বেশি ঘাম তৈরি করে। ঘামের অতিরিক্ত উৎপাদন সেবেসিয়াস গ্রন্থিগুলোকে ত্বককে আর্দ্র রাখতে আরও তেল উৎপাদন করতে উদ্দীপিত করে, ফলে সেবেসিয়াস গ্রন্থিমুখ আটকে যায় এবং ব্রণ সৃষ্টি করে। দিনে বারবার মুখ ধোয়া ত্বককে তেলমুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে। ফলে ব্রণ কম হবে।

* বিষণ্নতা : জলবায়ুর পরিবর্তন এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে কিছু মানুষের মেজাজ পরিবর্তন হতে পারে। কিছু কিছু মানুষ গরমের কারণে বিষন্নতায় ভোগে। তবে তাপমাত্রা কমে গেলে বর্ষা এলে বিষণ্নতা কেটে যায়।

সংক্রমণজনিত ও মশাবাহিত রোগ

* হাম : হাম একটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, কাশি, সর্দি এবং গায়ে লাল লাল দানা। শিশুরা সাধারণত হামে আক্রান্ত হয়। হামের টিকা এবং আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শ এড়ানোর মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যায়।

* মাম্পস : মাম্পস একটি ছোঁয়াচে এবং মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা গরমে ব্যাপক আকার ধারণ করে। এতে সংক্রমিত ব্যক্তি যখন হাঁচি বা কাশি দেয়, তখন প্রতিবেশীদের মধ্যেও সংক্রমিত হতে পারে। এটি কানের সামনের প্যারোটিড গ্রন্থিকে আক্রান্ত করে, যার ফলে গ্রন্থি ফুলে যায়, ব্যথা এবং জ্বর হয়। মাম্পস ভ্যাকসিন এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানোর মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যায়।

* জলবসন্ত : গরমে অন্যতম মারাত্মক রোগ হলো জলবসন্ত বা চিকেন পক্স। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। জলবসন্ত হলে সারা শরীরে ছোট ছোট পানিভর্তি ফোস্কা দেখা দেয়। এটি সাধারণত ছোট শিশুদের আক্রান্ত করে; কখনো কখনো প্রাপ্তবয়স্ক লোক, ডায়াবেটিসের রোগী, ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদেরও হতে পারে। এ সংক্রামক রোগটি বায়ুবাহিত কণার মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রমিত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে বা সরাসরি সংক্রমিত ব্যক্তির সহচার্যে এলে ছড়ায়। কখনো কখনো সংক্রমণ সুপ্ত থাকতে পারে, যতক্ষণ না সংক্রমণ করার জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া তৈরি হয়। চিকেন পক্সের ভ্যাকসিন নিয়ে এবং সংক্রামিত ব্যক্তির সহচার্য এড়িয়ে জলবসন্ত প্রতিরোধ করা সম্ভব।

* মশার কামড়ে সংক্রমিত রোগ : মশার কামড়ে সংক্রমিত রোগ যেমন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াও গ্রীষ্মকালে বেশি দেখা যায়। কারণ এখন মশার প্রজনন মৌসুম। মশা নিধন, তাদের প্রজনন স্থান অপসারণ এবং মশার কামড় এড়ানোর মাধ্যমে এ রোগগুলো প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

অন্যান্য সমস্যা

* নেত্রদাহ : চোখব্যথা বা কনজেক্টিভাইটিস হলো ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বা অ্যালার্জির ফল, যা কনজেক্টিভার প্রদাহের সৃষ্টি করে এবং ৪-৭ দিন থাকে। এতে চোখব্যথা করে এবং লাল হয়ে যায়। এগুলো সাধারণত ভাইরাস দিয়ে হয় এবং এটি একটি সংক্রামক রোগ। যদি পরিবারের এক ব্যক্তির এটি হয়, তবে সবার হতে পারে। এ রোগে আক্রান্ত হলে চোখ স্পর্শ করার আগে হাত ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ। দিনে কয়েকবার ঠান্ডা পানি দিয়ে আক্রান্ত চোখ ধুলে আরাম পাওয়া যায়। ষহঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে : অতিরিক্ত গরমে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে গেলে শুরুতেই তাকে আধা ঘণ্টা ঠাণ্ডায় রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এরপর শুইয়ে দিতে হবে এবং তার পা কিছুটা ওপরে তুলে দিতে হবে। প্রচুর পানি বা পানীয় খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বক ঠাণ্ডা করার ব্যবস্থা করতে হবে।


Post a Comment

0 Comments

advertisement

advertisement