লিঙ্গ/পে*নিস মূলত ৭ প্রকার অপনি জানেন কি ?

গোপন সমস্যা সমাধান স্বাস্থ্য

Health City Life এর সর্বশেষ আপডেট পেতে Google News অনুসরণ করুন

 

লিঙ্গ মূলত ৭ প্রকার অপনি জানেন কি 

যৌনতা ও যৌনাঙ্গ নিয়ে পৃথিবীতে সত্য, মিথ্যা, জল্পনা আর মিথের ছড়াছড়ি। নারী, পুরুষ নির্বিশেষে এই বিশ্বাস বহু সমস্যার জন্ম দেয়। তবে প্রকতৃ সত্য নিয়ে সঠিক তথ্যের অভাব থেকেই যায়।

 এমন সময়েই প্রায় ৬০০ জন পুরুষের উপর পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্বে পুরুষ যৌনাঙ্গ বা পেনিসের ধরন নিয়ে গবেষণা করল ব্রিটেনের সংস্থা iMEDicare LTD।

সেই পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে সাত ধরনের পুরুষ যৌনাঙ্গ বা পেনিসের অস্তিত্বের কথা জানিয়েছে ওই সংস্থা। iMEDicare LTD-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যারেন ব্রিন জানান, ‘মূলত সাত আকৃতির পেনিস রয়েছে।’

 কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৬০০ জন পুরুষের পেনিস পরীক্ষা করার পরই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।

Health City Life এর সর্বশেষ আপডেট পেতে Google News অনুসরণ করুন

তবে একইসঙ্গে এও জানানো হয়েছে, সাত ভিন্ন ধরনের পেনিসের মধ্যে তুলনা করা উচিত নয়। কারণ এক্ষেত্রে প্রতিটিই ভিন্ন ধরনের। অর্থাৎ, এখানে কোনও প্রতিযোগিতা নেই।

 আরও মনে রাখা উচিত, যৌনাঙ্গের সাইজ বা আকারের সঙ্গে বিছানায় বেশিক্ষণ টিকে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

রিপোর্টে উল্লেখ্য আকার ও নাম কী কী?

১.পেন্সিল- তুলনায় লম্বা এবং সরু হবে।

২.পেপার- লম্বায় কম, তবে মোটা বেশি।

৩.কোন–শঙ্কু আকৃতির মতো উপরিভাগ সরু। এক্ষেত্রে ফোরস্কিন তুলনায় দৃঢ় হবে।

৪.বানানা–অনেকটা কলার (ফল) মতোই আকার। বাঁ বা ডানদিকে হালকা বাঁকানো। হালকা বাঁকানো থাকলে সুখবর! তবে বেশি বাঁকানো হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশনের আশঙ্কা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫.হ্যামার—নিম্নভাগের তুলনায় উপরিভাগ আকারে অনেকটাই মোটা।

৬.সসেজ—সবচেয়ে বেশি যে ধরনের দেখা গেছে। সব বিচারেই সাধারণ মাপের।

৭.কিউক্যামবার—-নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে কী ধরনের! তবে গুরুত্বের বিচারে এটিও সসেজের মতোই। সাধারণ আকারের এবং অত্যাধিক দেখা যায়।

উল্লেখ্য, উপরের নামগুলি iMEDicare LTD-এর রিপোর্ট থেকে নেওয়া। কোনও ক্ষেত্রেই নাম পরিবর্তন করা হয়নি।

এই রিপোর্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা কী? নীচের কমেন্ট বক্সে প্রতিক্রিয়া জানান।

Health City Life এর সর্বশেষ আপডেট পেতে Google News অনুসরণ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.